সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজমুল হক। তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কের পাশে অবস্থিত পেট্রোল পাম্পগুলোতে যাতায়াতের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদফতর থেকে জমি ইজারা নিয়ে সংযোগ সড়ক তৈরি করতে হয়েছে। এ জন্য পেট্রোল পাম্প মালিকরা নির্ধারিত হারে নিয়মিত লিজ মানি দিচ্ছেন। কিন্তু অযৌক্তিকভাবে কয়েক বছর পর পর সড়ক ও জনপথ অধিদফতর তাদের জমির ইজারা মূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অন্যদিকে পরিচালনা ব্যয় বাড়লেও সরকার পেট্রোল পাম্পের কমিশন বাড়ায়নি। এই কমিশন ২০১১ সালে যা ছিল, এখনও তাই আছে। বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেনে ২ দশমিক ৭ এবং ডিজেল ও কোরোসিনে ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমিশন দেওয়া হচ্ছে। এতে করে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। আমরা উভয় ক্ষেত্রে ৭ শতাংশ কমিশন দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়কে তিন বার পত্র দিয়ে ১২ দফা দাবি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। কিন্তু কোনও সুফল পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, সংগঠনের দেওয়া ১২ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ইজারা মাশুল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিল, পুলিশের চাঁদাবাজি রোধ, ডাকাতি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ট্যাংকলরির জন্য আলাদা টার্মিনাল নির্মাণ, পুরাতন টার্মিনালগুলোর সংস্কার, শ্রমিকদের বীমা, নীতিমালা প্রণয়ন ইত্যাদি। কিন্তু সরকার এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। সে কারণে কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো। দাবি পুরণ না হলে ২৮ আগস্ট ওইদিন সারাদেশে কর্মবিরতি পালন করা হবে। ওইদিন দেশের সব পেট্রোলপাম্প বন্ধ থাকবে। ট্যাংকলরির মাধ্যমে তেল উত্তোলন, পরিবহন এবং বিপণনও বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, সবমিলিয়ে পেট্রোল পাম্প ব্যবসায়ীদের অবস্থা ভালো নেই। অনেকের পক্ষে পাম্প চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। ২৮ আগস্ট কর্মবিরতির পর আমরা লাগাতার কর্মসূচিতে যাব।
ওএফ/এমএসএম
ওএফ/এমএসএম/
/