লতিফুল ইসলাম বলেন, বসুন্ধরা শপিং মলটি বুধবার নাগাদ খোলা হতে পারে। মলের ৬ তলায় সি-ব্লকের অন্তত একশটি দোকান রয়েছে। এরমধ্যে অন্তত সাত থেকে আটটি দোকান আগুনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বসুন্ধরা সিটির হেড অব মার্কেটিং জসিমউদ্দীন জানান, আগুনে ছয়তলার সি ব্লকের ৭ থেকে ৮টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন ৬ তলা থেকে ছড়িয়ে পড়েনি। আমাদের নিজস্ব ৬০ জন ফায়ার ফাইটার এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছাড়া বর্তমানে মার্কেটের ভেতরে আর কেউ নেই। আমরা আজই মার্কেট পরিষ্কার করে ফেলবো। আশা করছি আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে মার্কেট খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, রবিবার সকাল ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রথমে বসুন্ধরার অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এরপর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়। তাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আরও সাতটি ইউনিট যোগ দেয়। এরপর সন্ধ্যা নাগাদ ২৯টি ইউনিটের দেড়শ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে রাত ৮ টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুন: বসুন্ধরার আগুন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার ত্রুটি কোথায়?
/এআরআর/এমও/আপ-এআর/