এক কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটি মিশনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এর বাইরে বাড়তি নিরাপত্তা চাইলে সশস্ত্র আনসার সদস্যদের অর্থের বিনিময়ে ভাড়া করা যাবে।
জুলাই মাসে জোড়া সন্ত্রাসী হামলার পর দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। গত রবিবার টাস্কফোর্সের চতুর্থ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দূতাবাসগুলোকে এরই মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত বছর ইতালিয়ান নাগরিক তাভেল্লা ও জাপানি নাগরিক ওসি কুনিও নিহত হওয়ার পর বিদেশিদের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে চলে আসে। সে সময় বিভিন্ন দূতাবাস বাড়তি নিরাপত্তা চাইলে সরকার তা দেয়। কিন্তু জুলাইয়ে জঙ্গি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দূতাবাস নিরাপত্তার জন্য বেসরকারি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের প্রস্তাব করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, দেশের আইন অনুযায়ী, বেসরকারি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের কোনও সুযোগ নেই। এটি করতে হলে আইন সংশোধন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে সরকারি বাহিনীর সদস্যদের অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, 'যেসব আনসার সদস্য এ কাজে নিয়োজিত হবেন, তাদের আমরা প্রশিক্ষণ দেব। বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট দেশের আচার, ব্যবহার, ভাষা সম্পর্কে।'
আরেক কর্মকর্তা জানান, কোনও দূতাবাস যদি একটির বেশি এপিসি (আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) আনতে চায়, তবে সরকার অনুমতি দেবে।
/এসএসজেড/এআরএল/
আরও পড়ুন:
প্রস্তাবে যাদের নাম দিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথাই বলেননি জাফরুল্লাহ!