মীর কাসেম আলীর মৃতুদণ্ড কার্যকরের মধ্যদিয়ে এই প্রথম কাশিমপুর কারাগারে কোনও যুদ্ধাপরাধীর সাজা কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে পাঁচ যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
একাত্তরের নৃশংস ঘাতক বাহিনী আলবদর নেতা ও জামায়াতের অর্থ যোগানদাতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে কাশিমপুর কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে আইজি প্রিজনস ব্রি. জে. সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ষষ্ঠ অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হলো।
শনিবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে মীর কাসেম আলীর মৃতুদণ্ড কার্যকর করা হয় কাশিমপুর কারাগার ২ -এ। এর আগে বিকাল সোয়া ৪টায় মীর কাসেমের সঙ্গে শেষ দেখা করেন তার স্বজনরা।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর কাসেম ১৯৮৫ সাল থেকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, অর্থাৎ মজলিসে শূরার সদস্য হিসেবে দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তিনি হলেন জামায়াতের পঞ্চম শীর্ষ নেতা, চূড়ান্ত রায়েও যার সর্বোচ্চ সাজার সিদ্ধান্ত এসেছে।
এর আগে গত ৩০ আগষ্ট মীর কাসেমের আপিল রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে গেলে চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে তার প্রাণভিক্ষা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দু’দিন পর শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালেই প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেন তিনি। এরপরই ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
জেইউ/এপিএইচ/