তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

High-Court-1_2২০১৬ সালের ১৬ মার্চ জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল -এর প্রকাশিত গণ-বিজ্ঞপ্তি কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি জে এন দেব এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
রুলের জবাব দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল-এর সমন্বয়ককে আগামী দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘যেকোনও প্রতিষ্ঠান তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট, কার্টন বা কৌটার উপরিভাগের পরিবর্তে নিম্নভাগে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করতে পারবে।’ যা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন- ২০০৫  এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০১৫ -এর পরিপন্থী।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী, এ বছরের ১৯ মার্চের পর থেকে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়ক বা প্যাকেটে আইন অনুযায়ী সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ ব্যতীত কোনও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বা বাজারজাত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
কিন্তু জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল গত ১৬ মার্চ ওই ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ প্রকাশ করায়, আইন অমান্য করে তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদন ও বিক্রয়কারী কোম্পানিগুলো তামাকজাত দ্রব্য বাজারজাত করছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাদী পক্ষের আবেদন অনুযায়ী, হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন এবং পরবর্তী আদেশ প্রদানের জন্য আগামী ২ নভেম্বর কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।  

/ইউআই /এপিএইচ/

আরও পড়ুন:

২৩৬৭ গেরিলাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ