বয়লারে ঘটেনি বিস্ফোরণ

টাম্পাকো ফয়লস লিমিটেড

শিল্প মন্ত্রণালয় নিযুক্ত কারখানা পরিদর্শক প্রকৌশলী শরাফত আলী মনে করেন বয়লারে বিস্ফোরণ ঘটেনি। শনিবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি এ তথ্য জানান।

শরাফত আলী বলেন, ‘এ কারখানায় দুটি বয়লার আছে। বয়লারগুলো অক্ষত আছে, আমি বাহির থেকে দেখেছি। এর অর্থ বয়লার বিস্ফোরিত হয়নি। আমি ধারণা করছি, গ্যাস সিলিন্ডারের স্টোররুম থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে। যেহেতু কেমিক্যাল বা দাহ্য পদার্থ ছিল, আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে।’

টাম্পাকোয় চলছে আগুন নেভানোর কার্যক্রমপ্রকৌশলীর ভাষ্যকে সমর্থন করেছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সনদপ্রাপ্ত বয়লার চালক ইমাম উদ্দীনও। ইমাম টাম্পাকো কারখানায় এক দশকেরও বেশি সময় কাজ করছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, আমি এ কারখানায় ১১ বছর ধরে কাজ করি। আমাদের গ্যাস লাইনে কিছু লিকেজ ছিল। এমন ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি।
বয়লার অপারেটর ইমাম বলেন, ‘আমি গতকালও ডিউটি করেছি। রাতের বেলা খালেক নামে অপর এক অপারেটর বয়লার চালাচ্ছিল। রাত সাড়ে ৪টার দিকে বয়লার বন্ধ করে দেওয়া হয়। নতুন ভবনের ভেতরে বয়লার। সেখান তা অক্ষত রয়েছে। পুরোন ভবনে গেইটের সঙ্গেই গ্যাসের কন্ট্রোল রুম। সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটে। খালেক অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে এসেছে। এখন বাসায় বিশ্রামে আছে। সে ভীষণ মর্মাহত।’
ইমাম আরও বলেন, ‘২০১৭ সালের জুন অব্দি বয়লারের মেয়াদ নবায়ন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের বয়স ৩৫-৩৬ বছর। প্রতিষ্ঠান ক্রমশ বড় হয়েছে, সঙ্গে ভবনও বেড়েছে। ভবনগুলা ঘন সন্নিবিষ্ট।’
উল্লেখ্য, এর আগে টাম্পাকোয় বয়লার বিস্ফোরণের খবর প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছিলেন ফায়ার সার্ভিসের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা পলাশ মণ্ডল।

/এইচকে/

পড়ুন: ঢামেক মর্গ প্রাঙ্গণে ১৯ মরদেহ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৪

পড়ুন: বাতাসে লাশের পোড়া গন্ধ

পড়ুন: টঙ্গীতে কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে ভবন ধস, নিহত অন্তত ২৪

পড়ুন: মালিকের গাফিলতি ছিল, আমরা মামলা করবো: আইজিপি