আতরের তোলা ৬৪ হাজার টাকা!

আতরঈদের সকালে আতর লাগিয়ে নামাজে যাওয়ার আনন্দটাই অন্যরকম। বাজারে পারফিউমের চাহিদা বেশি হলেও হারিয়ে যায়নি আতরের ব্যবহারকারী। আর ঈদ উপলক্ষে আতরের চাহিদা একটু বেশিই থাকে। চাহিদার সঙ্গে দাম কিছুটা বেশি থাকাই স্বাভাবিক। তবে কম্বোডিয়ান আগর আতর পাওয়া যাচ্ছে প্রতি তোলা (এক তোলায় ১১.৬৬ গ্রাম) ৬৪ হাজার টাকায়। অন্যদিকে সিলেটের আগর আতর পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ৭ হাজার টাকায়।

ঈদুল আজহার আগে সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) আতরের বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়। বিক্রেতারা জানান, যে আতর যত পুরান তার দাম ততো বেশি। আতর বিভিন্নভাবে প্রস্তুত করা হয়। কম্বোডিয়ান আগর আতর তোলা ৬৪ হাজার হলেও রাসায়নিকভাবে তৈরি আতর ১ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। এছাড়া সিলেটের আগর গাছ থেকে তৈরি মানসম্পন্ন আতর রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

আতরের দোকানগুলিতে দেখা মিললো হাজরে আসওয়াদ, সুলতান, উদ, কিং হোয়াইট, জান্নাতুল নাঈম, জান্নাতুল ফেরদাউস, শাইখা, আল-ফারেজ, কুল ওয়াটার, গোলাপ, কস্তুরি ইত্যাদি ব্রান্ডের আতর।
দেশি আতরের ব্রান্ডের মধ্যে রয়েছে আল মীম, সুলতান, কেপিপি, স্কয়ার, আলিফ।

আতরবায়তুল মোকারম মসজিদ মার্কেটের ইসলাম হাউজের বিক্রেতা শাহরিয়ার বলেন, ‘দুবাই, ফ্রান্স, সৌদিআরব, কম্বোডিয়া, ভারত, বুলগেরিয়া থেকে বেশি আতর আমদানি করা হয়। এছাড়া উদ আতর ও হরিণের নাভী থেকে তৈরি কস্তুরির আতরের চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি। ভারত থেকে আসা চন্দন কাঠ থেকে তৈরি আতরের তোলা সাড়ে তিন হাজার টাকা। গোলাপের আতরের দাম তোলা প্রতি ৬ হাজার টাকা।

আতর বিক্রেতা শাহরিয়ার আরও বলেন, সরাসরি ফুল বা গাছ থেকে তৈরি আতরের দাম বেশি। দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত রাসায়নিক প্রক্রিয়া আতর তৈরি করে। এসব আতরের দামও তাই কম।  

আতরআতরের দোকানগুলিতে আতর ছাড়াও বাহারি ডিজাইনের আতরদানী (বোতল) পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচ ছাড়াও বিভিন্ন ধাতু মিশ্রণে তৈরি এসব আতরদানি বিক্রি হয় ৫০ থেকে ২ হাজার টাকায়।

/সিএ/এনএস/