বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, 'আল্লাহর প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ত্যাগের আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতফলিত হলেই পারষ্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ কমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।' তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত। এখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার অনুষ্ঠানাদি পালন করে আসছে। এটি আমাদের সম্প্রীতির এক অনুপম ঐতিহ্য। কোরবানির শিক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করব- এটাই হোক এবারের ঈদের অঙ্গীকার।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘হযরত ইব্রাহীম (আ.) প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের যে অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা বিশ্ববাসীর কাছে চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করে পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে সবাই এগিয়ে আসবেন। পবিত্র এই দিনে তিনি আল্লাহর কাছে বাংলাদেশের অব্যাহত উন্নতি, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন। সূত্র : বাসস।
/এআরএল/
আরও পড়ুন: