ডিএসসিসি’র দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
নির্মাণ সংশ্লিষ্ট এক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, মূলত অপ্রতুল ড্রেনেজ সিস্টেমের কারণেই মঙ্গলবার ঈদুল আজহার দিন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শান্তিনগরের ‘রক্তাক্ত জলাবদ্ধতা’ এবার বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে রাজধানীতে।
ঈদের দিন সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় নগরীর বহু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এর মধ্যে শান্তিনগরের জলাবদ্ধতা বেশি স্থায়ী হয়। এ জলাবদ্ধতার কারণে কাকরাইল-মালিবাগ সড়কসহ আশাপাশের প্রতিটি সড়ক ও অলিগলি ডুবে যায়। জবাই করা পশুর রক্ত আটকেপড়া পানিতে মিশে রঞ্জিত করে দেয়। শান্তিনগরসহ অন্যান্য এলাকায়ও একই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নূরুল আমীন বুধবার রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নগরীর রাস্তা ও ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নয়নে আমাদের বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। তবে শান্তিনগরের সমস্যাটা ভিন্ন হওয়ায় এর জন্য আলাদা একটি প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পের অধীনে ৮০ কোটি টাকার একটি কাজের কার্যাদেশ সম্প্রতি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো শেষ হলে আগামী বছর থেকে শান্তিনগরসহ নগরীর অন্যান্য এলাকায় এমন জলাবদ্ধতা আর থাকবে না।’
/ওএফ/এবি/
আরও পড়ুন
রক্তাক্ত ঢাকার ছবি দিয়ে ফেসবুকে ২ মেয়রের সমালোচনা