‘নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি আমরা’

নারী নির্যাতন এবং তাদের প্রতি অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন কানাডা সফরতরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  গ্লোবাল ফান্ড কনফারেন্সে যোগ দিতে বর্তমানে কানাডার মন্ট্রিলে আছেন প্রধানমন্ত্রী।

ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, এইডস ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সন্মেলনের শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের মেয়েরাও এগিয়ে। শিক্ষা, চাকরি কিংবা ব্যাবসায় মেয়েরাও সমান অংশীদার। মেয়েদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করা হয়েছে। নারীদের গর্ভকালীন মৃত্যু হার প্রায় ৭০ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে। একইসঙ্গে বাল্য বিবাহের সমস্যাও রোধ করা সম্ভব হচ্ছে। নারীদের ওপর কোনও ধরনের অত্যাচার কিংবা অবিচারের ক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছি।’

দাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশই এশিয়ায় বিনিয়োগের শ্রেষ্ঠ স্থান।’ কানাডার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে পারি তাহলে বিশ্বকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশ ছাড়াও এ সন্মেলনে সুইডেন, আইভোরিকোস্ট, মালি ও সেনেগালের রাষ্ট্রপ্রধান যোগ দিয়েছেন।

একই দিনে ‘রিমোভিং বেরিয়ার্স টু হেলথ থ্রো এম্পাওয়ারিং উইমেন অ্যান্ড গার্লস অ্যান্ড রিচিং দ্য মোস্ট মার্জিনালাইজড’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা-১ এবং ‘এনগেজিং অ্যান্ড মোবিলাইজিং ইয়ুথ টু মিট দ্য সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা-২ এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  পরে সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি।

১৮ সেপ্টেম্বর কানাডার স্থানীয় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন: পিয়েরে ট্রুডোকে দেওয়া ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী

/এসটি/