বিদ্যমান নির্বাচন পদ্ধতিতেই বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে যে পদ্ধতিতে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সেই এক্সিটিং পদ্ধতিতেই বিএনপি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেবে।
অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের তার মন্ত্রণালয় এবং সরকার ও দলের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার পাশাপাশি এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কী কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে? মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি কোনও বাস্তবসম্মত চাপ তো সরকার অনুভব করছে না। বর্তমানে জাতীয় সংসদে সরকারের তিন-চতুর্থতাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সেখানে আস্থা বা অনাস্থার কোনও সংকট তো নেই। আর যারা মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা বলছেন তারা আন্দোলন করে নির্বাচনের কোনও পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি। তারা তো নির্বাচনের পক্ষে ৫’শ লোকের একটি মিছিলও করতে পারেনি। আর দেশে কোনও বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজ বা অন্য কোনও পেশাজীবীদের থেকেও তো কোনও দাবি নেই। তাহলে সরকার কেন নির্বাচনের নামে মধ্যবর্তী তামাশা করতে যাবে।’
সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রথমে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানালেও একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে তাকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যখন বিশ্ববাংকসহ দাতা সংস্থারা পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ও সেতু নির্মাণ নিয়ে যখন ভীষণ অনিশ্চয়তা ছিল সেই প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়। এটা এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। আগামী ডিসেম্বরে পিলারের ওপর স্প্যান দেওয়া হলে এটি আরও দৃশ্যমান হবে। আমরা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ সেতু নির্মাণ শেষ করার পথে একদিনও পিছিয়ে নেই। ওই সময়ের মধ্যে সেতু নির্মাণ শেষ করতে সিডিউল অনুযায়ী আমাদের কাজ এগিয়ে চলছে।
আরও পড়ুন: শাহজালালে হেলথ কেয়ার রোবট আটক
/ইএইচএস/টিএন/