কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার

ইসলামী ছাত্রী সংস্থাশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা নিষিদ্ধ করায় দলটির পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এই নির্দেশনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোন লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি না থাকায় এই সংস্থার কাজ নিষিদ্ধ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও  অসংবিধানিক একটি সিদ্ধান্ত। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. শিরিন আক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।  
প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়, দেশের ছাত্রীসমাজের কাছে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক এবং নিয়মতান্ত্রিক  বৈধ সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা । ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু করে আজ অবধি এই সংগঠনটি ইসলামের আলোকে ছাত্রীসমাজের চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম সৃষ্টি ও নাগরিক মূল্যবোধ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সুদীর্ঘ এই ৩৮ বছরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা কোনও অন্যায়, অনৈতিক, আইন-শৃংখলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল না, এখনো নেই। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা কোনো ভাবেই বৈধ ও যৌক্তিক হতে পারে না।    
ওই প্রতিবাদপত্রে দাবি করা হয়, সরকার বিগত কয়েকবছর অমূলক অভিযোগের ভিত্তিতে পর্দানশীন ছাত্রীদের হয়রানি করে আসছে এবং ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী সরকার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার ওপর ধারাবাহিকভাবে জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সরকার সব ধরনের ইসলামি কার্যক্রমকে জঙ্গিবাদ হিসেবে প্রচার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু, আজ পর্যন্ত ছাত্রীসংস্থার কোনও ছাত্রীর নাশকতামূলক কোনও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা সরকার প্রমাণ করতে পারেনি। তারপরও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কার্যক্রমকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ করা কোনোভাবেই বৈধ হতে পারেনা।

/টিএন/আপ-এইচকে/