প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ফোনে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন, সমবেদনা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম সৈয়দ শামসুল হকের গুলশানের বাসভবনে গিয়ে তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন।
মৃত্যুর শেষ সময়েও সৈয়দ শামসুল হক লিখে গেছেন জানিয়ে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘হাসপাতালে থাকার সময়ও তিনি ৩০০টির বেশি কবিতা লিখেছেন। তার মতো মেধাবী মানুষ বিরল। যত দ্রুত সম্ভব তার সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল অব. তারিক আহমেদ সিদ্দিক জানান,‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায় যেন তার মরদেহ দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তিনি সর্বক্ষণ খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা তার নির্দেশনা মেনে সব আয়োজন করছি।’
এর আগে, মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ২৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সব্যসাচী এ লেখক। বুধবার রাজধানী ঢাকায় জানাজার পর সৈয়দ হকের মরদেহ কুড়িগ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে সৈয়দ হকের গুলশানের বাড়িতে তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা ও পরিবারকে সমবেদনা জানাতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধামন্ত্রীর সামরিক সচিব, কবি সাহিত্যিক, লেখক, প্রকাশক ও নাট্য ব্যক্তিত্বরা।
/এমও/এপিএইচ/