সরকার দলের মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘সিঙ্গাপুরে বসবাসরত ১৯ জন বাংলাদেশির শরীরে জিকা ভাইরাস পাওয়া গেছে। তারা সিঙ্গাপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে কাজ করছেন।’
জিকা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীরা যেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারেন, তার জন্য স্থল, নৌ ও বিমান বন্দরে ভাইরাস শনাক্তের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘বিশ্বের ৮৮টি দেশে জিকা ভাইরাস রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। এশিয়ার সবক’টি দেশই জিকা ভাইরাস ঝুঁকিতে রয়েছে।’
মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি হিসেবে বর্তমানে দেশে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৪ হাজার ১৪৩ জন। এর মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৬৫৮ জন।’
নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘ভেজাল ওষুধ তৈরি ও মানসম্মত ওষুধ তৈরি না করায় সরকার বেশ কিছু ওষুধ কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। ১৩টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ২০টি প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ১৪টি প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ১২টি প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার পেনিসিলিন ও সেফালোস্পেরিন জাতীয় ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। দু’টি কারখানায় মানবদেহের বাইরে ব্যবহারযোগ্য ওষুধ ছাড়া অন্যান্য ওষুধ উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
সরকার অনুমোদিত ওষুধ প্রস্তুতকারী কারখানার সংখ্যা ৮৫৩টি। এরমধ্যে অ্যালোপেথিক ওষুধ উৎপাদনকারী ২৬৮, ইউনানি ২৬৭, আয়ুর্বেদিক ২০৭, হোমিওপ্যাথিক ৭৯ এবং হার্বাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৩২টি।
হাবিবর রহমানের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এক দশমিক ৩৭ ভাগ। এই হারে বাড়লে ২০২১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ১৭ কোটি ১৬ লাখ।
বেগম জেবুন্নেছা আফরোজের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, ‘এ বছর সরকারি খরচে ২৮৯ জন হজ পালনে সৌদি আরব গেছেন।’ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চলতি বছর যেসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমরের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিসি’র মোট ১৯৫টি নৌযান রয়েছে। এর মধ্যে ফেরি ৫০টি, যাত্রীবাহী জলযান ৩৯টি, কোস্টার ৭টি, ট্যাংকার ১২টি, ডাম্ব বার্জ ১২টি, টাগ ১৫টি, সেলফ্ প্রপেল্ড বার্জ ৬টি এবং সহায়ক জলযান ৫৪টি। ’
ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে উদ্ধারকারী জলযান চারটি। এরমধ্যে হামজা ও রুস্তমের সক্ষমতা ৬০ টন এবং সক্ষমতা ২৫০ টন।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/