এর আগে বুধবার রাতে মহাখালী ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে দুদক। পরে বৃহস্পতিবার সকালে আসামির আইনজীবী প্রবীর রঞ্জন দাস তার জামিন আবেদন করেন।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের সহাকারী পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম সরকার আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন জানান। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘ভবিষ্যতে তদন্তের প্রয়োজনে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য তাকে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন করছি। ’
পরে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২ আগস্ট তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল আলী বাদী হয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা করেন। অন্য আসামিরা হলেন- কোস্ট গার্ডের তৎকালীন কমান্ডার এমএম রহমান, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাশেদ তানভীর, লেফটেন্যান্ট এম আশরাফুল হক ও লেফটেন্যান্ট এমএস উদ্দিন।
আরও জানা যায়, আসামিরা চাকরিতে থাকা অবস্থায় পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের ৭ কোটি ৩৭ লাখ ৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। তবে বিভিন্ন ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মোট ১২ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার টাকার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
মামলার নথি সূত্রে আরও জানা যায়, আসামি মো. সফিক-উর-রহমান ১৯৯৮ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে আত্মসমার্পণ করে জামিন নেন। হাইকোর্ট রুল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তিনি আদালতে বেল বন্ড সাবমিট করেন নি।
২০০৩ সালের ২৫ মে হাইকোর্ট ৭ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তকে ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরও হাজির না হওয়ায় ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে দুদক।
/এসএনএইচ/