পঞ্চম নিরাপত্তা সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুল আহসান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ডেপুটি এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি উইলিয়াম মোনাহান।
বর্তমান ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আগামী দিনগুলোয় কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বৈঠক শেষ হয়।
বৈঠকে জুলাই মাসে হলি আর্টিজান রেস্তোরায় আক্রমনের পর সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়— হোলি আর্টিজানের আক্রমণের পরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশে সরকারের সকল এজেন্সির নেওয়া পদক্ষেপ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের অধীনে বিশেয়ায়িত কাউন্টার টেররিজম অ্যাণ্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট উদ্বোধন করার প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র।
আরও বলা হয়— বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করে তারা উভয়ই ঝুঁকির সম্মুখীন এবং উগ্রবাদী সংগঠন আইসিস বা দায়েস সারা বিশ্বের জন্য হুমকি। সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের প্রতি বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনও সন্ত্রাসীকে ব্যবহার করতে না দেওয়ার নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সারা দিনব্যাপী এ সংলাপে কৌশলগত অগ্রাধিকার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়াবলি, সামরিক সহযোগিতা, বেসামরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা বাহিনী, সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়গুলি মোকবিলার জন্য একযোগে কাজ করা এবং একইসাথে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার প্রশংসা করে।
ষষ্ঠ নিরাপত্তা সংলাপ আগামি বছর ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে।
/এসএসজেড/এইচকে/
পড়ুন: পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে, ঝগড়াও থাকবে: প্রধানমন্ত্রী