পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘অভিবাসন একটি বাস্তবতা। প্রয়োজনীয় বিষয়। কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশই এটি চায় না।’ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য অভিবাসন একটি উপায় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা অভিবাসন সমস্যায় নেই কিন্তু অভিবাসীরা সমস্যায় আছে। অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এ প্রথমবারের মতো আলোচনা হচ্ছে।’
এম শহীদুল হক বলেন, ‘গত পাঁচ বছর আগেও কোনও বৈশ্বিক সংস্থায় অভিবাসন নিয়ে কয়েকটি দেশের প্রতিরোধের কারণে আলোচনা করা যেত না। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ও জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন অভিবাসন নিয়ে সবদেশের প্রধানদের নিয়ে জাতিসংঘে আলোচনা করছেন। এটি একটি নতুন পরিবর্তন এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।’
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পরিচালক মোহাম্মাদ আবদিকার বলেন, ‘বর্তমানে সাড়ে ছয় কোটি লোক তাদের বাস্তুভিটা হারিয়েছে। অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’
বিস-এর চেয়ারম্যান মুন্সি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অভিবাসনকে নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিবাসীদের খারাপ বলা হচ্ছে।’
/এসএসজেড/এমএনএইচ/