রবিবার রমনা কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে ‘জঙ্গিদের জীবিত ধরার চেষ্টা করা হয় কিনা’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, জঙ্গিদের কাছে অস্ত্র গোলাবারুদ, গ্রেনড প্রভৃতি থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে এসে তাদের আত্মসমর্পণ করতে বললে তারা ওসব ব্যবহার করে। অনেকক্ষেত্রে পুলিশকে তখন আত্মরক্ষার খাতিরেই পাল্টা গুলি চালাতে হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের জীবিত ধরার চেষ্টা করছি না এমনটি নয়। আপনার দেখেছেন, আজিমপুরে তাদের জীবিত ধরতে গিয়ে আমাদের এক পুলিশ সদস্য বটির কোপে গুরুতর আহত হয়েছেন। এখনও হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। আর জীবিতদের তথ্যের ভিত্তিতেই তো আমরা অন্যদের ধরার চেষ্টা করছি।
নব্য জেএমবির নেতৃত্বের নতুন কে আসছে জানা গেছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মহানগর পুলিশের এই কমিশনার বলেন, গোয়েন্দাদের তথ্যানুসারে ওদের (জেএমবি) এক স্তরের তথ্য আরেক স্তরের সদস্যরা জানে না। পরবর্তীতে কে হাল ধরতে যাচ্ছে তা জানতে গোয়েন্দা বাহিনীর গবেষণা চলছে।
নব্য জেএমবির মাস্টারমাইন্ডদের একজন মেজর (বরখাস্ত) সৈয়দ জিয়াউল হককে গ্রেফতার করা নিয়ে আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মেজর জিয়াকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সময় সুযোগ মতো তাকে গ্রেফতার করা হবে।
মণ্ডপ পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন রমনা কালী মন্দির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সাবেক ডিআইজি সত্যরঞ্জন বাড়ৈসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
/আরজে/এইচকে/