প্রভাবশালীদের কাছ থেকে নদীকে দখলমুক্ত করা হবে: নৌমন্ত্রী





শাজাহান খাননদী দখলকারীরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের কাছ থেকে নদীকে দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নদীরক্ষায় সরকার গঠিত ‘টাস্কফোর্স’-এর সভাপতি ও নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রবিবার সদরঘাট থেকে আশুলিয়া হয়ে টঙ্গি নদীবন্দর পর্যন্ত নদী এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সরিজমিনের পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে ‘টাস্কফোর্স’-এর সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পরাগ বেগম, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য মো. আলাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নৌ-পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোর দখল ও দূষণরোধ এবং নাব্যতা বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নদীর সীমানা রক্ষার্থে সীমানা পিলার বসানো হয়েছে। নদীর জায়গা যেন পুনরায় দখল না হয় সেজন্য ২০ কিলোমিটার ‘ওয়াকওয়ে’ নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৫০ কিলোমিটার ‘ওয়াকওয়ে’ নির্মাণ করা হবে।’’
শাজাহান খান নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, তীর ভরাট করে অবৈধ বালু-পাথরের ব্যবসা দ্রুত বন্ধে বিআইডব্লিউটিএ, ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেন নৌমন্ত্রী। রাজধানীর চারপাশের নদী তীরে কী পরিমাণ অবৈধ স্থাপনা রয়েছে, সীমানা পিলারের সার্বিক অবস্থা নির্ণয় করতে শিগগিরই জরিপ কার্যক্রম চালানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
/এসআই/এমএনএইচ/