‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ’

হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ বলে অভিহিত করেছেন ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এবার সারাদেশে ৩০ হাজার মণ্ডপে উৎসব মুখর পরিবেশে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উক্তি ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—এই কথা উল্লেখ করে ভারতী হাইকমিশনার বলেন, ‘এই নীতিতে বাংলাদেশের পূজার আনন্দ সবাই উপভোগ করছেন।’

হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক বিষয়ে চুক্তি হচ্ছে। তিস্তার চুক্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য এন্ট্রি-এক্সিট ভিসা প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া সহজতর হচ্ছে।’

এছাড়া অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট (ই-টোকেন) নিতে যেন আর হয়রানির শিকার হতে না হয় তারও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা বলেন, ‘ভারতের ভিসার জন্য কোনও ফি নেওয়া হয় না। তবে ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য মাত্র ৬০০ টাকা জমা দিতে হয়। এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের অংশ হিসেবে এ বছর ঈদুল ফেতরের সময় ই-টোকেন ছাড়া প্রায় ৬০ হাজার পর্যটককে এক বছরের ভিসা দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘পূজার সময় নারী পর্যটক ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরও ই-টোকেন ছাড়াই ভিসা দেওয়া হচ্ছে।’

এর আগে দুপুরে হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা মির্জাপুর কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছালে কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাকে স্বাগত জানান।

এ সময় পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) প্রতিভা মুৎসুদ্দি ও ভারতীয় দূতাবাসের প্রথম সচিব রাজেশ উইকি ও অ্যাটাচে প্রেস রঞ্জণ মন্ডল উপস্থিত ছিলেন।

রণদা প্রসাদ সাহার মির্জাপুর গ্রামে গ্রাম বাঙালীর ঐতিহ্য কলাপাতায় প্রায় ৩০ প্রকার খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। সূত্র: বাসস

/এমএনএইচ/