চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ২৬ চুক্তি ও এমওইউ স্বাক্ষর

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ২৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় দুর্যোগ ব‌্যবস্থাপনা, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সহযোগিতা রয়েছে। শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশে সফররত চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও এমওইউ সই হয়।

শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও চীনের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে দুই দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তি ও এমওইউ সই করেন।

দুই নেতার বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেছেন, এসব চুক্তির মধ‌্যে ১২টি ঋণ ও অবকাঠামো চুক্তি, বাকিগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ‌্যে সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক।  একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে ছয়টি প্রকল্প।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় চীনের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান। এরপর কার্যালয়ের শিমুল কক্ষে একান্ত বৈঠক করেন দুই নেতা। এছাড়া দুই দেশের প্রতিনিধি দল দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন।

সামাজিক-অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রেই চীন ও বাংলাদেশ পরস্পর সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুই দেশের নেতারা। 

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে তাদের মধ‌্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

শি জিনপিং বলেন, ‘আমরা দুদেশের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের জায়গা থেকে কৌশলগত সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছি।’

তবে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর শিরোনাম ও ঋণচুক্তির অর্থের পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্টের বৈঠক চলছে। সন্ধ‌্যায় বঙ্গভবনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও শি জিনপিং। এরপর প্রেসিডেন্টের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।

/এসটি/এপিএইচ/