জিনপিং বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি চমৎকার সম্ভাবনাময় দেশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে অনেক এগিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় এবং বহু বিনিয়োগকারী এখানে বিনিয়োগে আগ্রহী। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে।’
সাক্ষাৎকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা দু’দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও কথা বলেন। চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিরাজমান দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার এবং চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার।’ স্পিকার চীনের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
স্পিকার বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের বন্ধু। দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।’ তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের উন্নয়নে এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।’
সূত্র: বাসস।
/এআরএল/