মৃত্যুর আগে তিনি তার মৃতদেহ দাহ না করে সমাধিস্থ করার কথা জানিয়ে গেছেন। বুধবার নাগরিক শ্রদ্ধাঞ্জলির পর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে। পরিবারের সদস্যদের পক্ষে জানানো হয়, সমাধিস্থ থাকার মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা মাটির সঙ্গে মিশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন অজয় রায়।গত সপ্তাহে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়। আজ সকাল সাড়ে আটটায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আনার কথা ছিল। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে তাঁর শ্বাস বন্ধ হয়ে আসলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে গত মে মাসে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের এই সমন্বয়ক গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেসময় তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন ৮৮বছর বয়সী এই রাজনীতিক নিউমোনিয়া, কিডনি ও হৃদরোগসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
তার রাজনৈতিক সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, আগামী বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অজয় রায়ের প্রতি নাগরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হবে। মৃত্যুর সময় পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জয়ন্তী রায়। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে থাকেন।
/ইউআই /এপিএইচ/