বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি

‘চীন-বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক ভবিষ্যতের জন্য ভালো’

 

 

 

শামা ওবায়েদ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা না করলেও পরবর্তীকালে সেই ভুল শুধরে নিতে দ্বিধা করেনি। ১৯৭৬ থেকে বাংলাদেশ চীনের যে সম্পর্ক দাঁড়ায় সেটা ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না চীনের সুপরিকল্পিত কূটনৈতিক নীতি আছে। সভ্যতা পুরোনো হওয়ায় তারা পুরোনো সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক’ শীর্ষক এই বৈঠকিতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও  ফরেন অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সদস্য শামা ওবায়েদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ এই বিনিয়োগ কীভাবে কাজে লাগাতে পারে সেটি তাকে দেখতে হবে। উনারা অনেক বিনিয়োগ নিয়ে এসছে সেহেতু এখন বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বার্থে এগুলো কাজে লাগানো উচিত এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো হবে।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন ১৯৭৬ সালে। সেটা বেশ ভালো শুরু ছিল। এরপর সেটা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। চীনে গণতন্ত্র না থাকার পরও সেই দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই বলার যৌক্তিকতা প্রশ্নে তিনি বলেন, অনেকগুলো বিষয় নিয়েই আলাপ হয়েছে। এরমধ্যে গণতন্ত্র একটি। এবং চীন সবসময় বলে তারা তাদের নিজেদের মতো করে গণতন্ত্রের চর্চা করে।সে ব্যাখ্যা কেবল তারাই দিতে পারবে।

বৈঠকিতে উপস্থিত আছেন দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়িক নেতা, কূটনীতিক ও অর্থনীতিক বিশ্লেষকরা।

মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিয়েছেন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফায়েজ আহমেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব তৌহিদ হোসেন, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট আব্দুল মাতলুব আহমাদ, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও  ফরেন অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সদস্য শামা ওবায়েদ এবং বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।

বৈঠকি চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। সরাসরি বৈঠকি দেখতে চোখ রাখুন চ্যানেল একাত্তর- এর পর্দায় এবং এ সম্পর্কিত সব সংবাদ পড়ুন www.banglatribune.com এ।

/ইউআই/এফএএন/