মেয়েটির বাবা শনিবার রাতে মৌখিক অভিযোগে বলেন, শনিবার সকালে তার মেয়েকে স্থানীয় শাহীন (২৫) ও নাজমুল ডেকে নিয়ে পাশের সমির উদ্দিন মার্কেটের ২য় তলায় নিয়ে যায়। এদের সহযোগিতায় ভাটারা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদ খন্দকারের ছোট ভাই রাশিদুল (৩০) তাকে ধর্ষণ করে এবং কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়। সন্ধ্যার সময় মেয়েটি বাসায় এসে ঘটনা খুলে বলে। পরে তাকে রাত একটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।
রবিবার সকালে ওসিসির সমন্বয়ক ড. বিলকিস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তিনি নিজে ভুক্তভোগী শিশুর সঙ্গে কথা বলেছেন। তার বয়স ১৪ বছরের কাছাকাছি। মেয়েটি স্কুলে পড়ে বললেও কোন শ্রেণিতে এবং তার ফাইনাল পরীক্ষা কবে, এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। ভিকটিমের শরীরে মারধরের চিহ্ন আছে। তার পরিবারের অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা এলাকায় বেশ প্রভাবশালী। মেয়েটির শারীরিক ক্ষত বেশ গুরুতর।
এদিকে ওসিসির সামনে অপেক্ষমান মেয়েটির ভাই জসিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভিযুক্তের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে এবং মামলা না করতে বলা হচ্ছে।’ দুপুর সাড়ে বারোটায় তিনি বলেন, ‘এলাকায় ওদের অনেক প্রভাব।’ আমরা এখনও মামলা করতে পারিনি।’
ওসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। তবে আজই (রবিবার) পারিবারিক উদ্যোগে ওসিসির তত্ত্বাবধানে মামলা করা হবে।
/ইউআই /আরজে/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন: রাজধানীতে এবার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ