বাণীতে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন সব আদালত ও ট্রাইব্যুনালের ওপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে। অপরদিকে, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের ধীর গতির অন্যতম কারণ। ১১৬ অনুচ্ছেদের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি এবং শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে এককভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে বিচার কাজে বিঘ্ন ঘটে এবং বিচার প্রার্থী জনগণের ভোগান্তি বেড়ে যায়।’
এদিকে সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আলাদা সচিবালয় হলেই যে কাজের গতি বাড়বে বা বড় কিছু হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। বরং বিচার বিভাগের কাজের গতিশীলতার জন্য মেধাবী বিচারপতি দরকার। কেননা, একজন মেধাবী বিচারপতি দৈনিক ২০টি মামলার শুনানি করতে ও রায় দিতে সক্ষম ।’
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধান সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকবে।
/ইউআই /এপিএইচ/
আরও পড়ুন: তিন সচিবের বিরুদ্ধে রুল