বিরূপ আবহাওয়ার কারণে শনিবার যেসব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, নোয়াখালীর হাতিয়া, বরগুনার আমতলী ও ভোলার বেতুয়া।
জানা গেছে, বিরূপ আবহাওয়ার পরও শনিবার উপকূলীয় রুটের কয়েকটি লঞ্চ যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে বিআইডব্লিউটিএ এবং মালিক সমিতির হস্তক্ষেপে ওইসব লঞ্চের যাত্রা বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে বরিশালসহ কয়েকটি রুটে লঞ্চ চলাচল করলেও যাত্রী বেশি হয়নি। যারা ভ্রমণ করেছেন তাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক দেখা গেছে।
অন্যদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে শনিবার স্বাভাবিক ফেরি ও লঞ্চ চলাচল করে।
প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে (ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘নাডা’) রূপ নিতে যাচ্ছে। সাগর উত্তাল হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় চার নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
/ওএফ/এমএনএইচ/