আজ ৭ নভেম্বর

7th-November

আজ (সোমবার) ৭ নভেম্বর। সিপাহী বিপ্লবের নামে পঁচাত্তর সালের এদিন থেকে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের হত্যা প্রক্রিয়া। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে এই হত্যা প্রক্রিয়া শেষ হয়।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দিবসটি মুক্তিযোদ্ধা ‘সৈনিক হত্যা’ দিবস হিসেবে পালন করবে। জাসদ দিনটি ‘সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান’ দিবস হিসেবে পালন করবে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের নামে প্রথমে হত্যা করা হয় খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম), কে এন হুদা (বীর উত্তম) এবং এটি এম হায়দারকে (বীর বিক্রম)। ৬ নভেম্বর ভোর রাতে গৃহবন্দি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করতে যায় বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুকের ল্যান্সার বাহিনীর একটি দল। তারা জিয়াকে মুক্ত করে নিয়ে যায় কর্নেল রশিদের দুই নম্বর অ্যাটিলারি রেজিমেন্টের দফতরে।

পরবর্তীতে একে-একে গণভোট, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, স্থানীয় পরিষদ নির্বাচন এবং পার্লামেন্ট নির্বাচন দিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেও তার আমলে ২০টির বেশি অভ্যুথান হয়েছিল বলে বিভিন্ন তথ্যে পাওয়া যায়।

সর্বশেষ ১৯৮১ সালের ৩০মে চট্রগ্রামে সামরিক অভ্যুথানে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর মেজর মঞ্জুরসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল এবং গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘তথাকথিত ৭ নভেম্বর বিপ্লবের নামে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা জিয়াউর রহমান হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যকে হত্যা করে। দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য পরিকল্পিতভাবে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের হত্যা করেছিলেন।’

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে সোমবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে। খবর বাসস।

/এসটি/