সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অবকাঠামো নির্মাণে চীনের অংশগ্রহণ দীর্ঘদিনের। ইতোমধ্যে জি-টু-জি (সরকার-সরকার) ভিত্তিতে চীনের অর্থায়নে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীকরণ প্রকল্পটিতেও চীন অর্থায়ন করবে।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যমান ইপিজেডের পাশাপাশি আরও দু’টি ইপিজেড নির্মিত হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বাড়বে। এ বাস্তবতায় যানবাহনের বাড়তি চাপ মোকাবিলায় সরকার ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের অনুরোধে চীন এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে।’
এসময় সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ চীন দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ওএফ/এমএনএইচ/