বিনা বিচারে ১৫-১৭ বছর কারাগারে আটক চার বন্দির কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ওই চার বন্দি হলেন, চাঁন মিয়া, মকবুল, সেন্টু ও বিল্লাল।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত সংবাদ আমলে নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ স্বতপ্রণোদিত হয়ে রবিবার (২০ নভেম্বর) এ আদেশ দেন।
আগামী ৪ ডিসেম্বর আসামিদের হাইকোর্টে হাজির করতে বলা হয়েছে। এছাড়া আদালত এসব আসামির নামে থাকা মামলার নথিপত্রও তলব করেছে।
আসামিদের মধ্যে ঢাকার শ্যামপুর থানার এক হত্যা মামলায় ১৯৯৯ সাল থেকে চাঁন মিয়া কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ১৭ বছরেও চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার কোনও অগ্রগতিই হয়নি। মামলাটি বর্তমান ঢাকার পরিবেশ আদালতে বিচারাধীন।
একইভাবে মকবুল রাজধানীর উত্তরা থানার একটি হত্যা মামলায় ২০০০ সাল থেকে কারাগারে আছেন। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে মকবুলে পক্ষে আইনী লড়াই করারও কেউ ছিলো না।
মতিঝিলের এজিবি কলোনির সেন্টু কামাল গ্রেফতার হন ২০০১ সালে। সর্বশেষ গত মাসেও তাকে হাজির করা হয়েছিল ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে। কিন্তু এই ১৫ বছরে ৫৯ কার্যদিবস কারাগারে হাজির করা হলেও মামলা শেষ হয়নি।
মামলা শেষ হয়নি কুমিল্লার বিল্লাল হোসেনেরও। তেজগাঁও থানায় থাকা একটি হত্যা মামলায় ২০০২ সাল থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি আছেন। তার মামলাটিও বিচারাধীন আছে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে। খবর বাসস।
আরও পড়ুন: এমপি বদির জামিন বহাল
/এসটি/