লেখক তৈরিতে প্রবীণদের এগিয়ে আসতে হবে: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

ডিআরইউ সাহিত্য পুরস্কার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ

নবীন লেখক তৈরিতে প্রবীণদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি বলেন, নবীন লেখকদের প্রতি প্রবীণদের সহযোগিতার মনোভাব থাকলেই তারা উঠে আসতে সক্ষম হবে। 

রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলেনায়তনে ‘ডিআরইউ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা যারা প্রবীণ লেখক রয়েছি তাদের দিন আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় তরুণ লেখক তৈরি হচ্ছে না। ফলে তাদেরকে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের জন্য কাজ করতে হবে।

বর্তমান প্রবীণদের সমালোচনা করে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, বর্তমান প্রবীণরা বক্তৃতার মধ্যে শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়ায়। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম নিয়ে তারা কিছু ভাবে না। তাদের যে দিন শেষ হয়ে এসেছে এটা তারা বুঝতে চান না।  

সাহিত্যে নবীনদের উৎসাহের জন্যে ডিআরইউ সাহিত্য পুরস্কারকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে এটা একটা ভালো উদ্যোগ। যা তরুণ সাংবাদিকদেরকে সহিত্যে অবদান রাখতে অনেক উৎসাহ প্রদান করবে। তবে পুরস্কার পাওয়ার জন্য শ্রম দিলেই হবে না। সাহিত্যের প্রকৃত রস এবং আনন্দ উপভোগের জন্য শ্রম দিতে হবে।

এসময় ডিআরইউ সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবদেক হাসান হাফিজের হাতে একটি ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া দেন তিনি। ‘অভিমান মৃত্যু ও পাথর’ কাব্য গ্রন্থের জন্য তাকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে প্রতি বছর পুরস্কার প্রদানের অংশ হিসেবে এবারই প্রথম ‘ডিআরইউ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬’ প্রদান করা হলো। 

এসময় ডিআরইউর সভাপতি জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কবি আসাদ চৌধুরী, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ।

/আরএআর/এইচকে/