উপকূলের সৌন্দর্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: মেনন





শুধু ইউরোপ-আমেরিকা নয়, সারা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে উপকূলীয় অঞ্চলের সৌন্দর্য তুলে ধরতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, ‘আমাদের থিম, কোস্টাল ডেস্টিনেশনকে প্রমোট করা। দেশের ভেতরে কক্সবাজার ছাড়াও রামু, মহেশখালী, হিমছড়িতে অনেক সৌন্দর্য রয়েছে। সেগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে।’পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন


শুক্রবার সকালে কক্সবাজারে ‘পাটা নিউ ট্যুরিজম ফ্রন্টিয়ার ফোরাম ২০১৬’ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘সন্তুষ্টির কোনও শেষ নেই। আমরা আশা করছি ক্ক্সবাজারের উন্নয়নের কাজ শেষ হলেই সরাসরি কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক, রেলপথের কাজ শেষ হলে যোগাযোগেও সহজ হবে। সকল মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে অন্যান্য পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারসহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। এতে কঠোর হওয়া লাগলে হতে হবে।’
সম্মেলনে ইউএন ডব্লিউটিও-এর এশিয়া ও প্যাসিফিকের আঞ্চলিক পরিচালক জু জিং (Xu jing) বলেন, ‘ইউএন ডব্লিউটিও দক্ষিণ এশিয়ার সফলতাকে গুরত্ব দিচ্ছে। এখন সময় বাংলাদেশকে গুরত্ব দেওয়া, আমরা এক্ষেত্রে সহায়তা করবো। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আছে, এখন এগুলোকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে বাংলাদেশকে। অবকাঠমো ও পর্যটক বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।’
সম্মেলনে যু্ক্তরাজ্যের লাভদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসমিন চৌধুরী বলেন, ‘আমার শরীরে বাংলাদেশের রক্ত, যদিও আমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আছে। বাংলাদেশের প্রতি আমার মায়া আছে, ভালোবাসা আছে। প্রতিটি প্রবাসীদের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ তুলে ধরা সহজ হবে । এজন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত গত বুধবার (২৩ নভেম্বর) থেকে তিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয় কক্সবাজারে। দ্বিতীয় তিন বৃহস্পতিবার সম্মেলনে যোগ দেওয়া অতিথিদের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখানো হয়। ‘পাটা নিউ ট্যুরিজম ফ্রন্টিয়ার ফোরাম ২০১৬’ সম্মেলনে ১২টি দেশ থেকে নীতি নির্ধারক, পর্যটন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমসহ প্রায় ২০০ জন অতিথি অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার দেশী-বিদেশি টু্যর অপারেটর এবং খাত সংশ্লিদের কক্সবাজার, মহেষখালী, রামু এবং হিমছড়ির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুড়ে দেখানো হয়।বাংলাদেশে পর্যটকরা কেন বাংলাদেশ ভ্রমনে আসবেন, সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। সন্ধায় সাংকৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশী খাবারের বিশেষ ভোজের অায়োজন করা হয়। ২৫ নভেম্বর শেষ হবে আন্তর্জাতিক এ সম্মেলন।

/সিএ/এআর/