পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিশ্বে জাহাজ নির্মাণে এক নম্বর দেশ হচ্ছে চীন।এ শিল্পে দেশটির প্রযুক্তি উন্নতমানের। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা মার্কেট ওয়াচ এর তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সালে চীন ২৮ বিলিয়ন ডলারের জাহাজ রফতানি করেছে।
তিনি বলেন, জাহাজের ইঞ্জিন তৈরির জন্য উন্নত ধরনের প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এর অন্যান্য যন্ত্রাংশ যেমন জেনারেটর, পার্টস, প্রপেলার ইত্যাদি তৈরি করার জন্য সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চীনের সহযোগিতা পেলে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাব বলে তিনি মনে করেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, সাধারণ প্রযুক্তি হস্তান্তর সরকারের মাধ্যমে হতে পারে। অথবা বেসরকারি খাতকে চীন সরাসরি সহায়তা দিতে পারে।
বাংলাদেশে চিটাগাং ড্রাই ডক সরকারি মালিকানায় পরিচালিত হয় এবং আরও কয়েকটি বেসরকারি মালিকানাধীন ড্রাই ডক আছে।
গত অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এর বাংলাদেশ সফরের সময়ে সমুদ্র অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য দুদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, সমঝোতা স্মারকে জাহাজ নির্মাণ ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতার উল্লেখ আছে।
বাংলাদেশে সমুদ্র অর্থনীতি বিষয়টি নতুন এবং আমাদের সক্ষমতার অভাব আছে এবং এক্ষেত্রে আমরা চীনের সহায়তা চেয়েছি।
সমুদ্রে যে বিশাল সম্পদ আছে, সে সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান খুবই সীমিত এবং এজ্ঞান বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চালানোর জন্য সহায়তার কথা বলা হয়েছে সমঝোতা স্মারকে।
সমুদ্রে ঝড় বা অন্য কোনও দুর্যোগের কারণে কোনও জাহাজ এবং নাবিকরা বিপদে পড়লে উদ্ধার অভিযান চালানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের অত্যন্ত সীমিত।
সমঝোতা স্মারকে উদ্ধার অভিযানে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
এপিএইচ/