মঙ্গলবার সকাল দশটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থেকে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে এ জুলুস বের করা হয়। মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল্-মাইজভাণ্ডারী এ জুলুসের নেতৃত্ব দেন। জুলুসে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে জশনে জুলুস (ধর্মীয় শোভাযাত্রা) বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন মোড়, কাকরাইল হয়ে আবারও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে কলেমা তৈয়াবা, জাতীয় পতাকা, আঞ্জুমানের পতাকা এবং নানা ধরনের বাণী ও শ্লোগান লিখিত ব্যানার ও ফেস্টুন লক্ষ্য করা যায়। জুলুসে নারায়ে তাকবির, নারায়ে রেসালাত ও গাউসিয়তের ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় চারদিক।
১২ রবিউল আউয়াল হযরত মুহাম্মদ মোস্তফার (সা.) জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়সহ শান্তিকামী মানুষের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। দেশে বিভিন্ন সংগঠন এই দিনটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহানবীর (সা.) পূর্ণাঙ্গ জীবন নিয়ে আলোচনা, সমাবেশ, মিলাদ মাহফিল, মোনাজাত এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রা করছে।
এদিন উপলক্ষে আহলে দরবার শরীফের সংগঠন তরিকতে মাওলা গ্রুপ বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজধানীতে মহান জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নীর মেমিনার ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আসেকান মাইজভাণ্ডারী অ্যাসোসিয়েশনও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন
/সিএ/এসএনএইচ/