শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে শেখ হাসিনা ও আইভীর এ দৃশ্য দেখে কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, শেখ হাসিনা যে আইভীকে কতটা ভালবাসেন এ দৃশ্য না দেখলে হয়তো বিশ্বাস করা যেত না। গণভবনের ব্যাঙ্কুয়েট হলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার আগে শেখ হাসিনা ও আইভীর এ দৃশ্য দেখেন কেন্দ্রীয় নেতারা।তারপর ব্যাঙ্কুয়েট হলে এসে গণমাধ্যমে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আইভী গণভবনে এসে প্রথমে নীচ তলায় ড্রয়িং রুমে অপেক্ষা করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে নেমে আসেন প্রধানমন্ত্রী। দোতলার সিঁড়ি বেয়ে নামা মাত্রই নেত্রী (শেখ হাসিনা) ভালবেসে আইভীকে বুকে জড়িয়ে ধরেন।এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
সেখানে উপস্থিত একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিজয়ে অনেক বেশি আনন্দিত। কারণ আইভীর হাতে নৌকা তুলে দিয়েছিলেন তিনি নিজেই। গত ২২ নভেম্বর গণভবনে শামীম ওসমানসহ নারায়ণগঞ্জের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন আইভীকে নৌকা দেওয়া নিয়ে বিরোধীপক্ষের নানা সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আইভীকে মনোনয়ন দিলাম। আইভীই জিতবে। আমার বিশ্বাস, আমার পছন্দ খারাপ হতে পারে না।’ সেদিনের স্মৃতিচারণা করে ওই নেতা বলেন, আইভীর বিজয় শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত পছন্দের বিজয়।
শুধু তাই নয়, গণভবনে সাক্ষাৎ করতে আসা আইভীর শাড়ি আর প্রধানমন্ত্রীর শাড়ি অনেকখানি মিলে যায়। এ বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, দুজনের এ সাক্ষাৎ পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। তবুও দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রীর শাড়ির সঙ্গে আইভীর পরে আসা শাড়ি মিলে যায়।
গণভবনের একটি সূত্র জানায়, এরপরই নীচতলার পাশের একটি রুমে আইভীর সঙ্গে একান্তভাবে প্রায় বিশ মিনিট কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
পিএইচসি/ এপিএইচ/
অারও পড়ুন:
আমাকে নৌকা দেবে চিন্তাই করি নাই: আইভী
নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন বিএনপির অভিযোগের উপযুক্ত জবাব: প্রধানমন্ত্রী