প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে ত্রুটির ঘটনায় ২০ ডিসেম্বর রাতে বিমানবন্দর থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন (মামলা নম্বর ২৩) বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এম এম আসাদুজ্জামান। এর আগে এই ৯ জনকে বিমানের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২১ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সাত জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- বিমানের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রোডাকশন) দেবেশ চৌধুরী,ভারপ্রাপ্ত চিফ ইঞ্জিনিয়ার (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) এস এ সিদ্দিক, প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (এমসিসি) বিল্লাল হোসেন,ইঞ্জিনিয়ার অফিসার লুৎফর রহমান, সামিউল হক,মিলন চন্দ্র বিশ্বাস ও জাকির হোসাইন। এই সাতজনকে ২২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২২ ডিসেম্বর বাকি দু’জন, টেকনিশিয়ান মো. সিদ্দিকুর রহমান ও ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এস এম রোকনুজ্জামান আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।
২১ ডিসেম্বর দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এস এম রোকনুজ্জামান জানান, বিমানের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের লাইন মেইন্টেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন তিনি। তিনি রেডিও রাডার ট্রেড কমিউনিকেশন ও নেভিগেশন সিস্টেম দেখেন। তার ইন্সট্রুমেন্ট রেডিও’র লাইসেন্স ছিল। ভিভিআইপি ফ্লাইটের ইন্সপেক্শন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্লাইটে দেবেশ চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের দলে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সফরে নিযুক্ত উড়োজাহাজটির (এস-২ এএইচএন) ওয়েল প্রেসার সেন্সর মেরামত করা হয়। ওয়েল প্রেসার সেন্সর মেরামত কার্যক্রম কোনও লাইসেন্সধারী ইঞ্জিনিয়ার অফিসারের অনুপস্থিতিতে টেকনিশিয়ান সিদ্দিকুর রহমান করেছেন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এস এম রোকনুজ্জামান মেইনটেন্যান্স রিলিজ বুকে স্বাক্ষর করেছেন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসার সামিউল হকের নির্দেশে মেরামতের কাজ করেছেন টেকনিশিয়ান সিদ্দিকুর রহমান। ইঞ্জিনিয়ার অফিসার লুৎফর রহমান ও মিলন চন্দ্র বিশ্বাস মেরামতের সময় স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু দায়িত্ব পালন করেননি। ইঞ্জিনিয়ার অফিসার জাকির হোসাইন সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহের কাজে নিযুক্ত ছিলেন।
ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এস এম রোকনুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভিভিআইপি ফ্লাইটে কোন উড়োজাহাজ যাবে সেটা নির্ধারণ করতে চিফ ইঞ্জিনিয়ার একটি কমিটি গঠন করেন। উড়োজাহাজ সিলেকশনের আগে অতীতে কোনও সমস্যা ছিল কিনা তা জানতে দুই থেকে তিন মাসের হিস্ট্রি দেখা হয়। কারা ফ্লাইটে যাবেন,মেরামত করবেন এসব আগে থেকেই ঠিক করা হয়।
রোকনুজ্জামান বলেন, ইন্সপেক্শনের জন্য আমি ছিলাম আইআর গ্রুপে। উড়োজাহাজের কাজ করতে ইঞ্জিনিয়ারদের লাইসেন্স অথবা অ্যাপ্রুভাল লাগে। মেকানিক অথবা টেকনিশিয়ানদের এসব লাগে না, তারা শুধু ইঞ্জিনিয়ারদের নির্দেশে কাজ করেন।
এস এম রোকনুজ্জামান বলেন, তখন হিস্ট্রিতে পাওয়া গেল ওয়েল প্রেসার সেন্সরে সমস্যা আছে। ইন্টারমিটেন্ট সমস্যা অর্থাৎ সমস্যা দেখা দেয়, আবার চলে যায়। ভিভিআইপি ফ্লাইটে এটা ইগনোর করলে, টেকঅফের পর সমস্যা দেখা দিলে তখন তো বিপদ হবে।
তিনি বলেন, বাম পাশের ইঞ্জিনের যখন ওয়েল প্রেসার সেন্সরে সমস্যা পেলাম, তখন আমার সঙ্গে ছিল নাজমুল হক। তার ইঞ্জিন ও এয়ারফ্রেম দুটোর ওপর লাইন্সেস ছিল। এই মেসেজ চিফ ইঞ্জিনিয়ার এবং মেইন্টেন্যান্স কন্ট্রোল সেন্টারকে (এমসিসি) জানানো হয়। তখন এমসিসির ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ উড়োজাহাজে আসেন এবং দেখেন। তিনি (আবুল কালাম) আমাদের জানালেন, সেন্সর চেঞ্জ করতে হবে। সেন্সর স্টকে যদি না থাকে তবে আরেকটি উড়োজাহাজ থেকে খুলে এনে লাগাতে হবে।
ইঞ্জিনিয়ার অফিসার রোকনুজ্জামান বলেন, তখন বে থেকে উড়োজাহাজটি হ্যাঙ্গারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আবুল কালাম সাহেব আমাকে বলেছেন সেন্সর চেঞ্জ করতে হবে, কিন্তু বলেননি আমাকেই করতে হবে। তখন সেখানে আমার মতো অনেক ইঞ্জিনিয়ার ছিল। চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রডাকশন) আর এমসিসি থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কাকে দিয়ে কাজ করাবেন।
তিনি বলেন,আমি যখন ককপিটে নেভিগেশন ও অন্যান্য কাজ করছি,তখন উড়োজাহাজটি হ্যাঙ্গারের সামনের ফাঁকা জায়গায় রাখা। ককপিট থেকে নিচে নামতে গিয়ে দেখি সামিউল হক, লুৎফর রহমান, মিলন চন্দ্র, আসাদুজ্জামান এবং তাদের টেকনিশিয়ান সিদ্দিক ইঞ্জিনের সামনে দাঁড়ানো। নিচে নেমে দেখি ইঞ্জিনের কাউল খোলা,অনেক লোক দাঁড়ানো। আমি ভাবলাম হয়তো সেন্সরটি রিপ্লেস করা হচ্ছে। এই প্রথম ইঞ্জিনের ওয়েল প্রেসার সেন্সর চেঞ্জ হচ্ছে, তাই দেখতে গেলাম। এছাড়া, চিফ ইঞ্জিনিয়ারও প্রশ্ন করবেন সেন্সর চেঞ্জ হয়েছে সেটা আমি দেখেছি কিনা। এটাই হয়েছে আমার অপরাধ। এখন মনে হচ্ছে আমি তখন সেখানে না গেলে বিপদে পড়তাম না।
রোকনুজ্জামান বলেন, মেরামতের কাজ করছে ইলেকট্রিক্যাল গ্রুপ। সামিউল হক ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার,তার ইলেকট্রিক্যাল, ইন্সট্রুমেন্ট, রেডিও অথরিটি আছে। লুৎফর আর মিলন চন্দ্রের শুধু ইলেকট্রিক্যাল অথরিটি ছিল। আমি যেটা জানি যে, প্রেসার সেন্সরের মেরামত করে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা। আর দেখছি যে এখানে চার জন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কাজ করেছেন। কারও নির্দেশ ছাড়া তো তাদের কাজ করার কথা না। অন্যদিকে লুৎফর এবং সিদ্দিক দুজনই বেসের মেইন্টেন্যান্সের লোক। তো আমি দেখি সিদ্দিককে লোকেশন দেখিয়ে দিচ্ছে সামিউল। নতুন আইটেম লাগানো হলে সামিউল ককপিটে গেল, আমি তখন তার পিছু পিছু গেলাম ইন্ডিকেশন দেখার জন্য। তখন দুজনেই দেখলাম এরর ম্যাসেজ আর নেই,মানে সমস্যার সমাধান হয়েছে।
অন্য একটি উড়োজাহাজ থেকে সেন্সরটি খুলে এনে লাগানো হয় বলে জানান রোকনুজ্জামান। তিনি বলেন,এটা প্রসিডিউরে পড়ে না, কারণ নিয়ম হচ্ছে নতুন আইটেম এনে রিপ্লেস করা।
রোকনুজ্জামান বলেন, ইন্সপেকশনের নিয়ম অনুযায়ী কিছু চেক লিস্ট আছে। গ্রাউন্ড রানের আগেই আমাকে সেগুলো করতে হবে। সেসব কাজ আমি ককপিটে বসে করছিলাম। সেই সময়ে ককপিটে আসেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার দেবেশ চৌধুরী। তিনি (দেবেশ) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, রোকন কি করেন। আমি তাকে (দেবেশ) জানালাম টিকাস টেস্ট করছি। তখন তিনি (দেবেশ) আমাকে বললেন ইজিপিডব্লিউএস টেস্ট করে দেখাতে। টেস্ট চলছে, এমন সময় মিলন চন্দ্র বিশ্বাস এসে আমাকে ডাক দেয়। আমার টেস্ট করতে সময় লাগছিল, তার (মিলনের) ডাকাডাকিতে আমি গেলাম। মেইন্টেনেন্স ম্যানুয়ালের কপি নিয়ে দেখলাম মিলন দাঁড়িয়ে। মিলন আমাকে বলল, ম্যানুয়ালের কপি নিয়ে টেস্ট করে লগ বইয়ে সাইন করতে। আমি তাকে না বললাম, কারণ এটা তো আমার সিস্টেমে পড়ে না, আর আমি তো সেন্সর চেঞ্জের কাজও করিনি। তখন মিলন আমাকে বলল, এটা দেবেশ স্যারের নির্দেশ। সেই সময়েই গ্রাউন্ড রান দেওয়ার জন্য ককপিটে আরও ইঞ্জিনিয়াররা প্রবেশ করেন, আর আগে থেকে তো দেবেশ স্যার বসেই ছিলেন। আমি যখন সাইন করবো না বলে মিলনের সঙ্গে তর্ক করছিলাম, সে সময় দেবেশ স্যার আমাকে ককপিট থেকে ডাকতে থাকেন। তখন আমি মিলনকে জিজ্ঞেস করলাম কাজগুলো কি ঠিক মতো করা হয়েছে। মিলন বলল সব ঠিক আছে, ম্যানুয়াল অনুযায়ী করা হয়েছে। আমি তখন ককপিটে আসলাম, টেস্ট করলাম, দেখলাম যে টেস্ট ওকে। তখন ককপিটে চিফ ইঞ্জিনিয়ার স্যাররা ছিলেন, তাদের দেখালাম। এরপর ইঞ্জিন গ্রাউন্ড রানে নেওয়া হয়। দুটি ইঞ্জিনের সকল প্যারামিটার ক্রস চেক করা হয়।
রোকনুজ্জামান বলেন, গ্রাউন্ড রান শেষে উড়োজাহাজ যখন হ্যাঙ্গারে নেওয়া হল, তখন স্পেশাল ইন্সপেকশন শুরু হল। আমি ককপিট থেকে নিচে নেমে দেখি ইঞ্জিনের কাউল খোলা, দেবেশ স্যার বাম পাশের ইঞ্জিনের সামনে দাঁড়ানো। দেবেশ স্যার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন লিক চেক হয়েছে কিনা। আমি জানালাম হয়নি, দেবেশ স্যার দ্রুত চেক করতে বললেন। লিক টেস্ট আমি একা একা করতে পারি না, ইঞ্জিনের একজন অথরিটি হোল্ডার দরকার। নাজমুল হক ছিলেন ইঞ্জিনের একজন অথরিটি হোল্ডার। দেবেশ স্যার বললেন, নাজমুল আর আমাকে লিক টেস্ট করতে। আমরা টেস্ট করে দেবেশ স্যারকে জানালাম। যেহেতু এটা ইঞ্জিন রিলেটেড, আমি মেইন্টেন্যান্স টেস্ট করেছি, তাই আমাকে বলা হয় স্বাক্ষর করতে।
তিনি বলেন, শুধু দেবেশ চৌধুরীর সঙ্গে ফ্লাইটে থাকতে হবে দেখে ঝামেলা এড়াতে স্বাক্ষর করেছি। চিফ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে আমি ফ্লাইটে যাবো, রেষারেষি ভাব থাকবে, সেজন্য আমি স্বাক্ষর করেছি। মিলন এবং দেবেশ স্যার দুজনে মিলে আমাকে ফোর্স করেছেন স্বাক্ষর করতে।
রোকনুজ্জামান বলেন,দেবেশ চৌধুরীর কথা হল,ইন্ডিকেটিং সিস্টেমের আওতাভুক্ত বলে আমাকে স্বাক্ষর করতে হবে। এখানে মিলনের স্বাক্ষর করার অথরিটি ছিল না, কিন্তু সামিউলের ছিল। কিন্তু তারা কেউ স্বাক্ষর করেনি।
তিনি বলেন,আমাকে প্রেশারাইজড করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি যখন আমাদের সঙ্গে কথা বলে তখন ভীতির মধ্যে ছিলাম, ঠিকমতো অনেক কিছু বলতে পারিনি। এসওপি অনুযায়ী লাইসেন্সধারী কেউ স্বাক্ষর করবেন। আমি বোকামি করেছি। স্বাক্ষর করবো কিনা সেই অনুমতি কোয়ালিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে নেওয়া উচিৎ ছিল। এই ভুলের খেসারত এখন আমাকে দিতে হবে। সব কাজ করেছে টেকনিশিয়ান সিদ্দিক। টর্গ মিটার সেট করেছে আসাদ।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (এমসিসি) বিল্লাল হোসেন চার জনের একটি মেইন্টেন্যান্স টিম মৌখিকভাবে গঠন করেন বলে জানান। কিন্তু বাস্তবে অনুরূপ মেইন্টেন্যান্স টিমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
২১ ডিসেম্বর রাতে প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (এমসিসি) বিল্লাল হোসেন বলেন, আসলে ওয়েল প্রেসার সেন্সরে সমস্যা হওয়ার কারণে একটা গ্রুপ করা হয়েছিল, কিন্তু গ্রুপটা আমাদের লাগেনি। কারণ তার আগেই সমস্যা সমাধান হয়েছে। এজন্য আর কাউকে জানানো হয়নি। আমি বিমানের তদন্ত কমিটির কাছে এ তথ্য দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বস হলেন ডিরেক্টর (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট)। আমাকে মনিটরিং-এর দায়িত্ব চিফ ইঞ্জিনিয়ারের, আবার তাকে মনিটরিং-এর দায়িত্ব পরিচালকের (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট)। আমি মনে করি, আমাদের রিপোর্টিং বস তার দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট) তিনিও আমাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যদিও তার যুক্ততা কোনও ডকুমেন্টারি থাকে না,কারণ তিনি তো ওভারঅল ভিউ করেন। সেজন্য ওনার সার্টিফিকেশন রিফ্লেক্টেড না। অনেকগুলো তদন্ত কমিটি কাজ করেছে, তারা রিপোর্ট দিয়েছে। কোনও তদন্ত কমিটি বি-নাট কেন লুজ হয়েছিল তা বের করতে পারেনি। ওয়েল প্রেসার সেন্সর থেকে যদি ইঞ্জিন ওয়েল লিক করতো তাহলেও বলা যেতো ঠিক মেরামত হয়নি। ওয়েল প্রেসার সেন্সর ঠিক করার সময় আমি ছিলাম না,আমি ম্যানেজারিয়াল পজিশনে কাজ করি। মেইনটেন্যান্স রিলিজ বুকে স্বাক্ষর করেছিল প্রকৌশল কর্মকর্তা এস এম রোকনুজ্জামান।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এম এম আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আপনার কোনও প্রশ্ন থাকলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক অথবা জনসংযোগ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি কোনও মন্তব্য করতে পারবো না।
/সিএ/এএআর / আপ-এমডিপি/