কৃষি জমি রক্ষা বিষয়ে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) প্রণীত সুপারিশ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা বলেন। সুপারিশের শিরোনাম- ‘খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি জমি রক্ষাকল্পে পরিকল্পিত গ্রাম-নগরায়ন ও গৃহায়ন’। মঙ্গলবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
আইডিইবি’র সুপারিশমালায় অনুর্বর জমিতে শিল্পকারখানা স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, কৃষিজমির জোনিং ম্যাপ প্রস্তুত করার কথা বলা হয়। এই সুপারিশমালা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, খাদ্য চাহিদার মতো বাসস্থানও মানুষের মৌলিক চাহিদা। এ চাহিদাপূরণ করতে হলে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, কৃষিজমি সুরক্ষা করতে পরিকল্পিত গ্রাম গড়ে তোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পরিবারিক জমিতে পরিকল্পিত আবাসিক ভবন নির্মাণ করে নির্মাণ ব্যয় দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আবাসন চাহিদাও বাড়ছে। বাড়তি এ চাহিদা পূরণ করতে প্রতিনিয়ত কৃষি জমির ওপর চাপ বাড়ছে। এছাড়া শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণেও কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। তাই কৃষি জমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। কৃষি জমি রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে।
সুপারিশ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আখতার হোসেন, রাজউকের সদস্য মো. আব্দুর রহমান, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান।
/ওএফ/এএআর/আপ-এমও/