বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন ও র্যাবের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যেসব স্থান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে, সেসব স্থানে র্যাব নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশি নাগরিকরা কে কোথায় আছেন, সেই তালিকা আমাদের কাছে আছে। তাদের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
র্যাবের ডিজি বলেন, ‘গ্লোবালাইজেশনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও ইংরেজি নববর্ষ উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপন করা হয়। রাজধানীসহ দেশের যে সব হোটেল ও ক্লাবে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেসব স্থানে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে র্যাব ফোর্স সতর্ক প্রহরায় রয়েছে। পোশাকি বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। একই সঙ্গে যে কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে টেকনোলোজির সাপোর্টও রাখা হয়েছে।’
এখন পর্যন্ত থার্টি ফার্স্টকে ঘিরে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবের তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তাকে কখনোই দুর্ভোগ হিসেবে নেওয়া ঠিক হবে না। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।’
/আরজে/এমডিপি/এএআর /