স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার

অ্যাম্বুলেন্স

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের আশ্বাসের ভিত্তিতে রবিবার গভীর রাতে অ্যাম্বুলন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স সমবায় সমিতি। সোমবার এ কথা জানান ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মমিন আলী মিয়া।

তিনি বলেন, ‘রবিবার গভীর রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে শেরে বাংলা নগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাব্বির হোসেন মাসুদের সঙ্গে আমার বৈঠকে বসি। আমার যে ছয় দফা দাবিতে ধর্মঘট ডেকেছিলাম সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা ফলপ্রসু হওয়াতে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের ভিত্তিতে ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি। ধর্মঘটের জন্য রোগীদের অসুবিধার জন্য আমার আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘গভীর রাতে বৈঠক হওয়ার পরেও ধর্মঘট প্রত্যহারের বিষয়টি সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে। আজ সকাল থেকে আমরা বিষয়টি মনিটরও করছি। অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত স্বাভাবিক আছে।’

প্রসঙ্গত, ছয় দফা দাবিতে শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে অর্নিদিষ্টকালের জন্য সারাদেশে  ধর্মঘট ডাকে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স সমবায় সমিতি। এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে সব ধরনের অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি।

ধর্মঘটের কারণ সর্ম্পকে এর আগে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স সমবায় সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিআরটিএ থেকে অ্যাম্বুলেন্সকে রুট পারমিট দেওয়া হয় না, তবু রাস্তায় বের হলেই পুলিশ সার্জেন্টরা রুট পারমিট দেখতে চান। বিআরটিএ থেকে যদি আমাদেরকে পারমিট না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তা কিভাবে দেখাব। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মামলা এবং হয়রানি করা হয় আমাদের। আবার বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মামলা দেয়- অ্যাম্বুলেন্স কেন সিএনজি করা হয়েছে। রাস্তায় বের হলেই ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার পর্যন্ত মামলা করা হয় আমাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া পুলিশ সার্জেন্টদের দুর্ব্যবহার, নগদ টাকার কারবারসহ আরও অনেক বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ আমরা।’

/জেএ/এসটি/