বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শুক্রবার দিবাগত ১২টা ৫০ মিনিটে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করেন। তার একঘণ্টার যাত্রাবিরতি করার কথা থাকলেও কুয়াশা থাকায় তিনি আরও কিছু সময় ঢাকায় অবস্থান করতে পারেন।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সময়ে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়ন নিয়ে এবং আগামী দিনগুলোতে বন্ধুত্বের বছর পালন নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেইজিং থেকে আফ্রিকা যাওয়ার পথে তিনি রিফুয়েলিংয়ের জন্য ঢাকায় অবতরণ করেন। ওয়াং ই ৭ থেকে ১২ জানুয়ারি আফ্রিকার মাদাগাস্কার, জাম্বিয়া, তানজানিয়া, কঙ্গো ও নাইজেরিয়া সফর করবেন।
প্রসঙ্গত, অক্টোবর মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশ ও চীনের কৌশলগত সম্পর্কে উন্নিত হয়েছে। ওই সফরে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আছে বাণিজ্যিক ঋণ চুক্তি ও প্রকল্প সহায়তা।
এছাড়া, ২০১৭ সালকে দুই দেশের বন্ধুত্বের বছর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর অধীনে সব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ হবে। জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে চীন থেকে একটি সংস্কৃতি প্রতিনিধিদলের ঢাকা আগমনের মাধ্যমে ইয়ার অব ফ্রেন্ডশিপ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে শুরু হওয়ার কথা আছে।
দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়েও একটি সমঝোতা স্মারক চীনা প্রেসিডেন্টের সফরে স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় এ বছরের শুরুর দিকেই চীনে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
/এসএসজেড/টিআর/এসএনএইচ/