৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ উন্নয়ন মেলা চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সহযোগিতা চাই এ জন্য যে, দেশকে আমরা যে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, এর গতি যেন থেমে না যায়। এই উন্নয়নের গতিধারা যেন সবসময় অব্যাহত থাকে। যেন দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।’
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ৬৪ জেলা ও ৪৯০টি উপজেলায় উন্নয়ন মেলা করছি। বিভিন্ন দেশে আমাদের যেসব দূতাবাস রয়েছে তারাও সুবিধা মতো সময়ে এই মেলার আয়োজন করছে, যেন বিদেশিরাও জানতে পারে আমরা উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করছি। মেলায় আমরা সরকারি সেবাগুলোর তথ্যচিত্র দেখাচ্ছি। এভাবে মানুষ তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে। মুখে হয়তো আমরা এমডিজি, এসডিজি বলি। কিন্তু এ থেকে দেশের মানুষ কী কী সুবিধা পাবে, তা এই মেলার মধ্য দিয়ে জানা যাবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলব। কোন অঞ্চলে কী উৎপাদিত হয়, তার ভিত্তিতে কিভাবে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে ভাবছি আমরা। আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে যেন আরও বিনিয়োগ আসে, সে পদক্ষেপ নিয়েছি। আরও কী কী হলে ভালো হয়, সে মতও নিচ্ছি আমরা। কেউ সমস্যায় পড়লে সমাধান করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করেছি বলেই আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করছি। আপনাদের কথা শুনছি।’
উন্নয়ন মেলায় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, শ্রমিক, সবাই থাকবে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘উন্নয়নের তথ্য ও ভবিষ্যতে কী সম্ভাবনা রয়েছে, তা জানার ক্ষেত্রে এটি সুবর্ণ সুযোগ।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদবিরোধী যে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি, আমি মনে করি এ জন্য প্রত্যেকের সামাজিক চেতনা গড়ে তোলা উচিত।’ তিনি বলেন, ‘দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার দিন শেষ হয়েছে। হত্যা-ক্যু’র রাজনীতি বিদায় নিয়েছে। এখন আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে।’ বাংলাদেশ এখন বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: সমাবেশের অনুমতি দেওয়া সরকারের বিষয় নয়: ওবায়দুল কাদের
/পিএইচসি/এমএনএইচ/