প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিষয়ে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরোল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশি কোনও দেশের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য কোনও সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে তার ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দেবে না।’
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সবসময় তার প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে।’
তার সরকারের শাসনামলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের এই উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে মিয়ানমার শিক্ষা নিতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠককালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অং সান সুচির একটি চিঠি হস্তান্তর করেন এবং বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সহযোগিতাপূর্ণ করতে ইচ্ছুক মিয়ানমার।’ দু’দেশের মধ্যে একটি সীমান্ত লিয়াজোঁ অফিস খোলা ও দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে তথ্যবিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন উ কিয়াও টিন।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এবং ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ মিয়ো মিন্ট উপস্থিত ছিলেন। বাসস
আরও পড়ুন-
রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার জোরালো আহ্বান বাংলাদেশের
মিয়ানমারের বিশেষ দূতের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী-সচিবের বৈঠক
/টিআর/