বিআরটিএ জানিয়েছে,বর্তমানে ঢাকা নগরীতে নিয়মিত ও অনিয়মিত ৩২০টি রুট রয়েছে।২০১৩ সালেও রুটের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৬৮টি। বর্তমানে তা প্রায় দ্বিগুণ। নিত্য নতুন রুটে প্রতিদিনই মিনিবাসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিআরটিএ কর্মকর্তারা বলেন, বর্তমানে রাজধানীতে শতাধিক কোম্পানি ও ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বাস ও মিনিবাস চলে । চার বছর আগেও এ সংখ্যা ছিল সাত হাজার। তারা বলেন, বর্তমানে ৩২০টি রুট থাকলেও সবগুলোতে নিয়মিত বাস চলছে না।
বিআরটিএ-র সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ১২৩১টি, ২০১১ সালে ১৫০১টি, ২০১২ সালে ১২১৮টি, ২০১৩ সালে ৯৭১টি, ২০১৪ সালে ১১৫০টি, ২০১৫ সালে ৭০৫টি এবং ২০১৬ সালে ৬৫০টি বাসের নিবন্ধন নথিভুক্ত করা হয়।
কর্মকর্তারা জানান, প্রতিদিনই ঢাকা মহানগরে নতুন নতুন রাস্তা হচ্ছে, পরিধি বাড়ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে এসব সড়কে বাসের রুট পারমিটও দেওয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি রুটেই বাস-মিনিবাসে চলতে গিয়ে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। স্টপেজ-এ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও বাসে উঠতে পারেন না যাত্রীরা। নারী যাত্রীরা পড়েন আরও ভোগান্তিতে।
শম্ভু নাথ বলেন, ‘কোনও সময়ই বাস খালি পাওয়া যায় না। এর কারণ বুঝতেছি না। যখনই বাসে উঠি তখনই ঝুলে যেতে হয়।’
কেরানীগঞ্জের বসিলায় ব্রিজ হওয়ার পর ওই সড়ক দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নতুন নতুন রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বছর দুয়েক ধরে বসিলা থেকে উত্তরা, আজিমপুর, মগবাজার পৃথক রুটে বিভিন্ন নামে মিনিবাস চলাচল করছে। একইভাবে মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ থেকে উত্তরায় নতুন রুটে মিনিবাস চলছে।
অপরদিকে, সাভার-মিরপুর-উত্তরা রুটেও নতুন বাস সার্ভিস শুরু হয়েছে। তবে এসব রুটের কোথাও যাত্রী ভোগান্তি কমছে না। বিশ্বরোড, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, বাড্ডা এলাকাতেও নতুন নতুন রুটে বাস চললেও প্রায় সব রুটের যাত্রীদের অভিযোগ, তারা বাসে উঠতে পারছেন না।
বিআরটিএ’র উপপরিচালক (প্রকৌশলী) মাসুদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যে রুটগুলো আছে তার বেশ কয়েকটিতে আসলে গাড়ি চলাচল করে না। আমরা নিয়ম মেনে রুট পারমিট দিয়ে থাকি। সেই অনুযায়ী রাজধানীতে বাস ও মিনিবাস চলাচল করে।’
আরও পড়ুন-
ইসি গঠনে সার্চ কমিটি সময় পাবে ১০ দিন
সার্চ কমিটির সদস্যরা কে কেমন
/এআরআর/এপিএইচ/আপ-টিআর/