বৃহস্পতিবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বক্তব্যে শ্রিংলা এসব কথা বলেন। ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শ্রিংলা বলেন, ‘এক কথায় গত বছর ছিল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অনেক নতুনের শুরুর বছর। গত বছরই বাংলাদেশ থেকে প্রথম উপকূলীয় জাহাজ ভারতের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে, কক্সবাজার থেকে ত্রিপুরায় প্রথম ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রফতানি শুরু হয়, আশুগঞ্জ দিয়ে প্রথম পণ্যের ট্রান্সশিপমেন্ট চালু এবং দুই দেশের মধ্যে নতুন ট্রেন সেবা চালু হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতের সহযোগিতা দিনদিন বাড়ছে। ভারত থেকে বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত দিয়ে ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে আরও অনেক ধরনের সহযোগিতা বাড়ানোর কার্যক্রম পাইপলাইনে আছে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, ‘ভারতের জন্য বাংলাদেশ আকর্ষণীয় বিনিয়োগ স্থান হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে জ্বালানি এবং অন্যান্য খাতে ভারতের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসবই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক সুসংহত হওয়ার ফসল।’
তিনি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ (কানেকটিভিটি) ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস-বিমসটেক সম্মেলনে অংশ নেন। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে কার্গো চলাচল প্রস্তাবে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়াও গত বছরের ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরের ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধায় এবং জুলাই মাসে পেট্রাপোলে ইন্টিগ্রেটেড চেক পয়েন্ট (আইসিপি) চালু হয়েছে। এছাড়াও মেঘালয়ে আইসিপি স্থাপনে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।’
/এসএনএইচ/টিএন/আপ-এসএনএইচ/