বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ৫০-এর দশকে গোপালগঞ্জ শহরের ব্যাংক পাড়ায় বাড়িটি কিনে বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাড়িটি জ্বালিয়ে দেয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু এই বাড়ির পাশে আরেক খণ্ড জমি কেনেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বরণের আগ পর্যন্ত সেখানে কেউ যাননি।
আশির দশকে শেখ হাসিনা বাড়িটি সংস্কার করেন এবং দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুমতি দেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছালে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম খান তাকে স্বাগত জানান। তারা দলের অন্যান্য নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে বাড়ির বিভিন্ন অংশে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ঘুরিয়ে দেখান।
এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় নেতাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য এই বাড়িটি পরিদর্শনের সুযোগ পেয়ে খুবই আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি সর্বস্তরে দলকে শক্তিশালী এবং এলাকায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ মনিটর করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় রোভার মুট উদ্বোধন উপলক্ষে দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সকালে গোপালগঞ্জ পৌঁছান। রোভার মুট উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা পৈত্রিক বাড়িতে যান। তিনি সেখানে বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান করেন। শুক্রবার তিনি ঢাকা ফিরবেন। সূত্র: বাসস।
/এফএস/
আরও পড়ুন-