বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য বিলে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশের কোনও ‘জীববৈচিত্র্য বা জীবসম্পদ’ এর বিষয়ে তথ্য বা জ্ঞান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা বা বাণিজ্যিক ব্যবহার করতে পারবে না। এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে বিদেশি নাগরিক বা অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও।
বিলে বলা আছে, এ আইন ভাঙলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। কোনও ব্যক্তি, জাতীয় কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনও জীবসম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ভাবিত কোনও কিছুর মেধাস্বত্ব অধিকারের জন্য বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের বাইরে আবেদন করতে পারবে না।
পাস হওয়া বিলে জীববৈচিত্র্য বা এ সম্পর্কিত জ্ঞান ব্যবহারের অনুমতি দিতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কারিগরি কমিটি, জেলা কমিটি, উপজেলা কমিটি, পৌরসভা কমিটি, ইউনিয়ন কমিটি ও তৃণমূল কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটি দেশ। জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য সনদের অংশীদার হিসাবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও তার উপাদানগুলোর টেকসই ব্যবহার, জীবসম্পদ ও এ সংশ্লিষ্ট জ্ঞান ব্যবহার হতে প্রাপ্ত সুফলের সুষ্ঠু ও ন্যায্য হিস্যা বণ্টন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য বিল-২০১৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
/ইএইচএস/এএআর/আপ-এমও/