ঠেঙ্গার চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সহায়তা করবে কিনা, এমন প্রশ্নে মায়াদুন বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি নিয়ে আরও জানতে চাই। এরপর যদি আমাদের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়, তবে আমরা বিবেচনা করব।’ তিনি বলেন, ‘ইইউ সবসময়ে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সমস্যা সমাধানের পক্ষে কথা বলে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জাতিসংঘ বা দ্বিপক্ষীয়, যেখানেই আমরা সুযোগ পাই, সেখানেই রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি জানাই।’
মায়াদুন বলেন, ‘বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের স্থানীয় ও বিদেশি এনজিওগুলোর মাধ্যমে ইইউ সহায়তা করছে। জাতিসংঘ উদ্বাস্তু সংস্থার সঙ্গেও ইইউ কাজ করছে।’ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে রবিবার হাতিয়া উপজেলার ঠেঙ্গার চরে রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী ভিত্তিতে স্থানান্তরের সরকারের সিদ্ধান্তটি বিদেশি কূনীতিকদের কাছে ব্যাখ্যা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।
প্রায় দেড় ঘণ্টার ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা।’ রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চান তিনি।
উল্লেখ্য, বর্তমানে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবৈধভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছে। বেশিরভাগ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের অবস্থানের কারণে সেখানের পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
আরও পড়ুন: ঠেঙ্গার চরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে দাতাগোষ্ঠীর সঙ্গে পরামর্শের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
/এসএসজেড/এমএনএইচ/