গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ খবর দিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম. আমিনুল ইসলাম। সোমবার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাতটি অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় গণপূর্তমন্ত্রী ও বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে রাজউকের সেবা সহজীকরণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান,রাজউকের সদর দফতরসহ আঞ্চলিক অফিসে একটি হেল্পডেস্ক খোলা হবে।
একইভাবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দফতরে হেল্পডেস্ক খোলা হবে। এ হেল্পডেস্ক বিনিয়োগকারীদরে নির্ধারিত সময়ে স্থাপনা নির্মাণ অনুমোদনে সহায়তা করবে। একটি টাস্কফোর্স থাকবে, যারা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও হেল্পডেস্কসহ সংস্কার কাজ পর্যবেক্ষণ করবে। এ বিষয়ে শিগগিরই রাজউকের সঙ্গে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষর চুক্তি হবে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলে উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করছে। একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। মন্ত্রী তার দফতরের অধীনস্থ সংস্থাগুলোর জন্য বিনিয়োগ সহজীকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউকের চেয়ারম্যান এম. বজলুল করিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, রাজউকসহ অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের অনুমোদন পেতে মাসের পর মাস এমনকি বছরও পেরিয়ে যায়। এ নিয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের শেষ নেই।
/ওএফ/এপিএইচ/