সোমবার রাতে নুরুল হুদা বলেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানলাম যে সিইসি হয়েছি। আমাদের টার্গেট হলো নিরপেক্ষ নির্বাচন করা, কনস্টিটিউশনকে অ্যাপ্লাই করা, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের আয়োজন করা। সব কথা এখনই বলার সময় হয়নি। সামনে কী চ্যালেঞ্জ আছে, সেটা তো এখনও জানি না। ইমিডিয়েট চ্যালেঞ্জ কী, সেটাও জানি না।’
বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি আরও বলেন,‘আমার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এটা অনেক বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব প্রতিপালনের চেষ্টা করবো।’
ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনার কথা বলার সময় এখনও হয়নি, এটা তো সাংবিধানিক পদ। আগে শপথ নেই, তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে বসবো, কমিশনে যারা স্টাফ আছে তাদের সঙ্গে বসতে হবে। তারপরে কী কাজ আছে, সেটি অ্যাসেসমেন্ট করে বোঝা যাবে। এজন্য নিশ্চয়ই কিছু সময় লাগবে।’
১৯৭৩ ব্যাচের সরকারি কর্মকর্তা নুরুল হুদা সচিব হিসেবে ২০০৬ সালে অবসর নেন ।এরপর তিনি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
জেমকন লিমিটেডের প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক, নর্থ-ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড(বিএমডিএফ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পাঁচ বছর চাকরি শেষে ২০১৫ সালে অবসর নেন।
সোমবার রাতে নুরুল হুদাকে সিইসি করে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এ বিষয়ে সোমবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এআর/এপিএইচ/এএআর/
আরও পড়ুন:
কে এম নুরুল হুদা সিইসি
নতুন ইসির ওপর আস্থা আছে আ.লীগের
ইসি গঠন: মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি