এ মামলার চার আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর গ্রামের খালেক মণ্ডল ওরফে জল্লাদ খালেক (৭২) বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন। পলাতক অন্য তিন আসামি হলেন- একই উপজেলার বুলারআটি গ্রামের এম আব্দুল্লাহ আল বাকি, দক্ষিণ পলাশপোল গ্রামের খান রোকনুজ্জামান ও বৈকাবি গ্রামের জহিরুল ইসলাম ওরফে টেক্কা খান।
আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু করে সংস্থা। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৬০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেবেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার বাহিনী গঠন করে এর নেতৃত্ব দেন খালেক মণ্ডল। এরপর অন্য আসামিদের নিয়ে তৎকালীন সাতক্ষীরা সদর মহকুমা এলাকায় এসব মানবতাবিরোধী অপরাধে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান বলেন, ‘৩১২ পৃষ্ঠার এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেওয়া হবে। এর ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) তৈরি করে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে এ মামলায় আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে ।
/ইউআই/ এপিএইচ/